দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মাহিদা (৭) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার চাচা জাহিদুলকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার দুপুরে উপজেলার তালশহর ইউনিয়নের আন্দিদিল গ্রাম থেকে মাহিদার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে ওই গ্রামের সৌদি আরবপ্রবাসী মোজাম্মেল মিয়ার মেয়ে। স্থানীয় একটি মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগের শিক্ষার্থী ছিল মাহিদা।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের ভাষ্য, দুপুরে মাহিদার মা মনিরা বেগম চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার জন্য উপজেলা শহরে যান। এ সময় তিনি দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে যান। পরে মাহিদার চাচা জাহিদুল পানি খাওয়ানোর কথা বলে তাকে একটি বসতঘরে ডেকে নিয়ে যান বলে অভিযোগ পরিবারের।
পরে মাহিদার খোঁজ না পেয়ে তার মা জাহিদুলের ঘরে গিয়ে মেয়েকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে মাহিদাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে জাহিদুলের বাড়িতে ভাঙচুর করেন এবং তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মনির হোসেন বলেন, শিশুটিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। তার শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের পর ধর্ষণ ও মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম বলেন, একটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই একজনকে আটক করা হয়েছে। শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছিল কি না, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এমএস/